প্রতিটি বিভাগেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার

দেশের সকল স্তরের মানুষ যাতে সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা পায় সেদিকে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি মানুষও যাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় এজন্য প্রত্যেক উপজেলায় স্থাপন করা হয়েছে সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক। উপজেলা পর্যায়ে যেসব হাসপাতালে ৩০ বেড ছিল সেগুলো ৫০ থেকে ১০০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। আগে ডিপ্লোমা পাস করে নার্স আসতো এখন গ্র্যাজুয়েট নার্স আসছে। নার্সদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেয়া হয়েছে । দেশের সকল শ্রেণীর মানুষের বিদেশে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করার ক্ষমতা নেই। এজন্য বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা আমাদের দেশেই ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার।

ডাক্তারি পাশ করার পর নবাগত চিকিৎসকদের ভেতর নগর কেন্দ্রিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের প্রবণতা বেশি দক্ষ যায়। এজন্য ঢাকার বাহিরের চিকিৎসকদের জন্য আরও বেশি সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে তারা ঢাকাসহ দেশের সব জায়গায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কুণ্ঠা বোধ না করে। শুধু চিকিৎসা সেবা নয় দেশ এগিয়ে গেছে ঔষধ উৎপাদনেও। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও ঔষধ রপ্তানি করা হচ্ছে। বর্তমানে পোশাক শিল্পের পরই ঔষধ শিল্প রয়েছে দেশের রপ্তানি খাতে। শুধু তাই নয় নির্মিত হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ওষুধ কারখানা।

দেশের প্রকৃত মেধাবীরাই যাতে চিকিৎসা সেবায় প্রবেশ করে পারে এজন্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা থেকেই থাকে কড়া নজরদারি। দেশে শিক্ষার্থীদের ডাক্তারি পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য মেডিকেল কলেজ বাড়ানোর চিন্তা করছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আবার ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করা হবে।

বর্তমান সরকারের হাত ধরেই দেশে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, পাচ্ছে এবং পাবে। যার ফলে নিজের ও পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে তাদের যাতে বেগ পেতে না হয় এজন্য প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।