খেলারাম খেলে যা!

বাংলা সিনেমার সমালোচক বা দর্শক-উভয় শ্রেণীই দীর্ঘদিন যাবত অভিযোগ করে আসছিলেন, এখানে অনেকটা কাতুকুতু দিয়েই লোক হাসানোর চেষ্টা করা হয়। চলচ্চিত্র বোদ্ধারাও তাদের এ অভিযোগ উড়িয়ে দেয়ার পক্ষপাতী নন।

দেশের বিনোদন জগত পর্যাপ্ত সুস্থ  বিনোদন দিতে পারছে না, তা নিয়ে বোদ্ধাদের কারো কারো দ্বিমত থাকলেও থাকতে পারে। তবে নবগঠিত তথাকথিত ‘ঐক্যফ্রন্ট’ নেতাদের ‘ছাড়াছাড়ি’ যে রাজনীতিতে বাড়াবাড়ি রকমের বিনোদনের যোগান দিচ্ছে, এ কথায় সকল রাজনীতিবোদ্ধা-সচেতন জনগণমাত্রই একমত হবেন।

ব্যাটিংয়ে নেমেই ২-৩ উইকেট হারানোর দিনগুলো দেশের ক্রিকেটের জন্য এখন সুদূর অতীত। তবে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা যেন সেদিনগুলো ভুলতে পারছেন না। নয়তো জোটবদ্ধ হবার সাথে সাথেই তাদের তিন উইকেট পড়ে যাবে কেন!

এমনিতেই গ্রেনেড তারেক,জামায়াত,আঁতাত ইস্যুতে এই মেরুতে সন্দেহের ডালপালা গুলো দিনদিন বাড়ছে । শুন্যের পাশে বেশকিছু শুন্য বসালে যেমন লাগে, বিএনপির পাশে কর্মীবিহীন, জনবিচ্ছিন্ন কিছু নেতাকে কি এরচেয়ে বেশিকিছু মনে হবার কথা? সে সিদ্ধান্ত পাঠকই নেবেন।

তবে প্রখ্যাত সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে উদ্দেশ্য করে নোংরা কথা বলার সিদ্ধান্ত পাকি প্রেতাত্না মইনুল কার ইন্ধনে নিলেন, জামায়াতের কাছ থেকেই বা কত পেলেন সে উত্তর জানতে অপেক্ষা তো করতেই হবে।

কিন্তু ঐক্যফ্রন্টে যে বিরোধের আগুন লেগেছে, তা বুঝতে অপেক্ষা না করে গণমাধ্যমেই চোখ রাখছেন পাঠকেরা। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী হবার অলীক স্বপ্নে বিভোর কামালের ওপর চটেছেন জামায়াতী মইনুল। মইনুলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি গ্রেফতার হবার পরেও কামালের তেমন কোন ‘রা’ না থাকায় কামালেকে একহাত নিয়েছেন মইনুল। কারাগারে বসে ঘনিষ্ঠজনদের কাছে তিনি বলেন ‘কামাল একজন ভীরু,কাপুরুষ। তার তো প্লেনের টিকেট প্রস্তুতই থাকে। উনি শুধু শুধুই আমাকে এগিয়ে দিয়ে বুড়ো বয়সে জেলের ভাত খাওয়াচ্ছেন।’

রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ, ওয়ানম্যান শো খ্যাত এসব তথাকথিত নেতারা যে ব্যর্থতার সকল দায় ঠেলে অন্যজনের ঘাড়ে চাপাবেন,তা অবশ্য সহজেই অনুমেয়। এখন তাদের বাক্সপেটরা গোছানোর অপেক্ষায় দেশবাসী।