রাঙ্গুনিয়ায় অস্তিত্ব সংকটে বিএনপি ও সাকা পরিবার

নিউজ ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৫ সালের নভেম্বরে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর থেকে পরিবারটি গভীর ইমেজ সংকটে পড়ে। একে একে দূরে সরে যেতে থাকেন তার অনুসারী বিএনপি নেতাকর্মীরা।

জানা যায়, চট্টগ্রামে সাকা পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক লায়ন আসলাম চৌধুরী। রাষ্ট্রদ্রোহসহ বিভিন্ন মামলায় তিনি এখন কারাগারে। আরেকজন কাছের মানুষ নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ উল্লাও কাছে নেই।

নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ উল্লাহ বলেন, আগে জানা ছিলো না সাকা চৌধুরী রাজাকার ছিলো এখন যখন প্রমাণ সহ দেখলাম বিশ্বাস হলো। তাই আমি তাদের পরিবার থেকে একটু দূরে আছি। আমি চাইনা রাজাকারি পরিবারের সাথে থাকি। কেননা আমারও একটা ব্যক্তি ভ্যালু আছে এই চট্টগ্রামে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাঙ্গুনিয়া আসনে বিএনপির একেবারে বাজে অবস্থা। তবে যদি বিএনপির অন্য কেউ আসে সাকা পরিবার ছাড়া তাহলে তারা বিএনপিকে ভোট দিবে বলে জানিয়েছেন। উপজেলা ছাত্রদলের নেতা ইকবাল বলেন, এই উপজেলার মানুষ বিএনপিকে ভালোবাসলেও রাজাকারদের ভালোবাসে না। আমরা সাকা পরিবারের সাথে নেই। তবে বিএনপির সাথে আছি।