জোটের মুখপাত্র নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে ঐক্যফ্রন্ট

 

জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের বদলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র করা হয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। এটি ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তন হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবকে মুখপাত্র করা হয়। কয়েকদিন পরই আবার কী কারণে বিএনপি মহাসচিবকে মুখপাত্র করা হল জানতে চাইলে মান্না বলেন, এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। আমাদের কাজ এভাবেই চলবে।

ব্যাপারটা অনেকটাই হাস্যকর হয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন পরপরই নেতৃত্ব বদল। সুলতান মুহাম্মদ মনসুর জানান, ‘মির্জা ফখরুল ইসলামকে মুখপাত্র করার তেমন কোনো কারণ নেই। মুখপাত্র পদটি ঐক্যফ্রন্টে পরিবর্তনযোগ্য। নিয়মিত পরিবর্তন হবে। এরপর অন্য কেউ মুখপাত্র হবেন’।

আরেকজন বলেন, ‘বিএনপি বড় দল। দেশের অধিকাংশ জনগণ বিএনপির ভূমিকা দেখতে চায়। মূলত আগেই থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকেই কেউ মুখপাত্র হবে এটা মোটামুটি ঠিক ছিলো। কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে তা ঠিক করতে হয়েছে’।

এ থেকেই বুঝা যাচ্ছে এই সংগঠনটি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। যাদের নিজেদেরই সংঘটনের ঠিক নেই এরা আবার দেশের ভালো মন্দ ঠিক করবে কি করে।

শুরুতে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, এখন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট। নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেইসব মানুষ যারা নিজেরাই দুর্নীতিগ্রস্থ। না হলে কেনই বা মির্জা ফখরুল এর মতো কেউ এই সংঘটনের মুখপাত্র হবে। দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা পূরণ হবে না। দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা পূরণ হবে না। ঐক্যফ্রন্টে যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে তারা এমন কিছু করবে না আর দুইদিন পরে পরে হাস্যকর জিনিস ঘটাবে না।

ঐক্য ফ্রন্ট নির্বাচন নয় বরং অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় আসতে চায়। সেজন্যও নিজেদের মতো প্রস্তুতি রাখছে তারা। দিন কয়েক আগে বি চৌধুরী বলেছিলেন , ‘নিরপেক্ষ আচরণ করলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে আপত্তি নেই। কিন্তু এখন আবার সুর পাল্টে ঐক্য ফ্রন্ট বলছে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্ভব না। আসলে ক্ষমতায় আসার জন্য এরা পাগল হয়ে গেছে। দেশের মানুষের সুখ আর  উন্নয়ন সহ্য করতে পারছে না। যে মানুষ গুলো দেশের ভালো চায় না এদের ক্ষমতায় বদলে দেশ রসাতলে যাবে এ নিয়ে  কোন প্রশ্ন নেই।’