জনগণের বিশ্বাসকে নষ্ট করছে জামায়াত

 

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে মানুষের একসাথে বসবাস করা নৈতিক অধিকার। অর্থাৎ যে শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা সমাজের সকল সদস্য তথা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে তাকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলে। কিন্তু দেশে একদল উগ্রবাদী দল দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করে দেশকে একটি রণক্ষেত্রে পরিণত করার অপচেষ্টা করেছিল। কিন্তু দেশের মানুষের নিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক শক্ত অবস্থানের কারণে টিকতে পারেনি তাদের সেই অপচেষ্টা। বলা হচ্ছে দেশের কট্টরপন্থি জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কথা।

স্বাধীন বাংলাদেশে থেকেও তাদের লক্ষ্য দেশকে পাকিস্তানের মতো একটি দুর্ঘটনা প্রবণ, বোমা হামলার দেশে রূপান্তরিত করা। ১৯৭১ সালে দেশের ক্ষমতা পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিতে স্বয়ংক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তানের এই দালালরা। কিন্তু এই জামায়াতে ইসলামীর সহযোগিতার ফলে খুব সহজেই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পৌঁছে যায় দেশের আনাচে কানাচে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। তাদের সাহায্যের মাধ্যমেই সাজানো সুন্দর একটি দেশ নিমিষেই পরিণত হয় মৃত্যুকূপে।

জামায়াতে ইসলাম ছিল দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপরীতে। তারা কখনোই চায়নি বাংলাদেশ নামে একটি সুন্দর দেশ পৃথিবীর মানচিত্রে জায়গা করে নিক। এটি আমাদের দেশের একটি নিজস্ব ইতিহাস। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দেশের প্রতিটি মানুষের রক্তে মিশে আছে। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এত বছর পর সেই জামায়াতে ইসলামী উঠে পরে লেগেছে দেশের ইতিহাসকে বিকৃত করার জন্য। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছে যে তাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের এক ভিত্তিহীন খবর। যা দেশের জনগণের মনে ভ্ৰান্ত ধারণা সৃষ্টি করা ছাড়া কিছু নয় এবং তারা একটি দেশের উৎপত্তির ইতিহাসকেও অবমাননা করছে। এমনকি জামায়াতে ইসলামী যে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে তার একটি তালিকাও দেয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যাচার।

অনেকে মনে করছেন আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। নির্বাচনের বিপরীতে বুদ্ধি আটছে কিছু কুচক্রী মহল। জামায়াতও ঠিক সেই রকম একটি পন্থা বেছে নিয়েছে। তারা জনগণের বিশ্বাসকে নষ্ট করে তাদের অনুভূতিতে আঘাত করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।