তারেকের মনোনয়ন বাণিজ্যে পরাস্ত দুদু, জিতলেন শরীফ

চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভা নিয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ সংসদীয় আসন। আসনটি বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলে ও নবম এবং দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আঘাত হানে আওয়ামী লীগ। টানা ১০ বছর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দখলের থাকায় আসনটিতে বিএনপির অবস্থা আরও নাজুক হয়ে যায়। এখন কোনোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চান তারা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চেয়েও দলীয় মনোনয়ন পাননি তিনি। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফ। অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফের পক্ষেই যাবে এমন কথা অনেক আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিলো।

চুয়াডাঙ্গা ১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো চারজন প্রর্থীকে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৭ নভেম্বর বিএনপি’র চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের জন্য দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে। ওই রাতেই মনোনয়ন দেয়া হয় চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ওয়াহিদুজ্জামান বিশ্বাস, শরিফুজ্জামান শরিফ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুজ্জামানকে। চারজনের মনোনয়নই বাছাইয়ে টিকে আছে। শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফ।
মনোনয়ন না পাওয়া প্রসঙ্গে হতাশ কণ্ঠে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমি দলের জন্য কী না করেছি। জেল খেটেছি। ঢাকাতে সময় দেয়ার পরেও এলাকায় গিয়ে সময় দিয়েছি। তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে কাজ করেছি। তারপরেও আমি মনোনয়ন বঞ্চিত হলাম। শামসুজ্জামান দুদু আরো বলেন, আমি দীর্ঘ দিন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলাম। তিনি জেলে না থাকলে আমিই মনোনয়ন পেতাম। সবার থেকে আমিই যোগ্য প্রার্থী ছিলাম। টাকার বিনিময়ে অন্য কেউ মনোনয়ন পেয়ে যাবে এমনটা ভাবতে পারিনি।