ফিলিস্তিনে ইসরাইলের অবৈধ বসতির পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের অবৈধ বসতির পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনের পশ্চিম উপকূলে ইহুদিদের বসতি নিয়ে মুখ খুললো যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে বারাক ওবামাও বলে গেছেন এমন কথা। তবে ওবামার চেয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটু বেশিই সহানুভূতির পরিচয় দিয়েছেন।

ইসরাইলের অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইহুদিদের বসতি নিয়ে নিজেদের মত বদলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইহুদিদের বসতিকে এখন আর তারা আন্তর্জাতিক আইনের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ মনে করছে না। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরাইল।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, উভয় পক্ষের আলোচনা অনুকূলে ছিল।

উল্লেখ্য ১৯৬৭ সালে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ১৪০ টি বসতিতে প্রায় ৬ লাখ ইহুদি বসতি স্থাপন করে যাকে কেন্দ্র করে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ লেগেই রয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই বসতি অবৈধ।

পম্পেও বলেন, সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর যুক্তরাষ্ট্র এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ইহুদিদের এই বসতি আন্তর্জাতিক আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পরে আবার কথা অস্বীকার করে বলেন, অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয় তা ঠিক না তবে ইহুদিদের বসতি শান্তির পথ প্রশস্ত করতে পারেনি।

আলোচনায় ফিলিস্তিনিদের হয়ে কথা বলছিলেন সায়েব এরেকাত। তিনি বলেন এই সিদ্ধান্ত, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও শান্তির পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ।

পম্পেও বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে সংঘাত ও সঙ্কট সমাধানের রাজনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি হবে|