দেশের অর্থনীতিতে সহায়তা বাড়াচ্ছে যুক্তরাজ্য

 

যুক্তরাজ্যের রফতানি ঋণদাতা সংস্থা, ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স (ইউকেইএফ) সম্প্রতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সহায়তার সক্ষমতা তিনগুণ বাড়িয়েছে, যা আগের চেয়ে ২০০ শতাংশ বেড়ে ২৫০ কোটি পাউন্ড বা ৩২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

 

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য অংশীদারিত্ব বাড়াবে এবং বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি সম্ভাবনা টেকসই করতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।

এতে বলা হয়েছে, এটি বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুক্তরাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ সহায়তা। ইউকে এইড, সিডিসি গ্রুপ এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের মাধ্যমে এ সহায়তা বাস্তবায়ন হবে। যেমন- জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ মাধ্যমে যুক্তরাজ্য সরকার ব্যবসায়িক জলবায়ু ও অবকাঠামোগত উন্নতিতে সহায়তা করছে। এটি বাংলাদেশে ব্যবসায় বিনিয়োগ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনকে এগিয়ে নিচ্ছে। যুক্তরাজ্যের ‘বিজনেস ফাইন্যান্স টু পুওর প্রোগ্রাম’ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে আর্থিক খাত বিকাশে সহায়তা করছে। এর মাধ্যমে স্বল্প-আয়ের পরিবার এবং ব্যবসা উদ্যোগকে মাধ্যমে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন ইউকেইএফের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের পরিসর বড় হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য ইউকেইএফের সহায়তার সক্ষমতা ২০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দু’দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে প্রসারিত ও বৈচিত্র্যময় করার জন্য একটি দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করবে।’ রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে সাফল্যের গল্প রয়েছে।

এ সহায়তার মাধ্যমে দেশটিতে কোভিড-১৯ থেকে পুনরুদ্ধারের গতি আরও বাড়াতে পারবে। টেকসই ও বৈচিত্র্যময় প্রবৃদ্ধি অর্জনে এ সহায়তা নতুন সুযোগ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রফতানি অংশীদার। ২০১৯ সালে দেশটিতে ৩৩০ কোটি পাউন্ড মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১৯০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে।