জাতীয় ঐক্যে-অনৈক্যের সুর জোরালো হচ্ছে

জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভিতর নানা গুঞ্জন ভেসে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে আরেকটি রাজনৈতিক দল। যার নাম ‘যুক্তফ্রন্ট’। দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে গড়ে উঠেছে নতুন এই দলটি। ড. কামাল হোসেন এই দলের উদ্যোক্তা এবং এর প্রধান দায়িত্বে রয়েছেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

বৃহত্তর আওয়ামী লীগের সাথে নতুন এই দলটির জনসমর্থনের দিক থেকে টিকে থাকা জাতীয় নির্বাচনে অতটা সহজ হবে না। এজন্য তারা বিএনপির সাথে এক জোট হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু বাঁধ সাধে জামায়াত। ড. কামাল জানিয়ে দেন, জামায়াত বিএনপির সাথে অন্তর্ভুক্ত থাকলে তারা বিএনপির সাথে নির্বাচনে যাবে না। এ রকম নানা রকম গুঞ্জনের সৃষ্টি করছে নতুন এই দলটি।

সম্প্রতি দলটির উদ্যোক্তা ড. কামাল বলেছিলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি এই বক্তব্যটি করেছেন দলের অন্য নেতা কর্মীদের সাথে কথা না বলে। এই বক্তব্যটিকে নিয়ে শুরু হয়েছে অন্তর্কোন্দল। সেই সাথে শুরু হয়েছে দলের প্রধান দায়িত্ব নিয়েও মনোমালিন্য। দলের প্রধান দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেন যথাক্রমে ড. কামাল ও বি. চৌধুরী। এই মনোমালিন্যের সাথে ড. কামালের বক্তব্যটি অনেকটা আগুনে ঢালা ঘিয়ের মতো।

বিএনপিও চায় না বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে। এজন্য জাতীয় ঐক্যের নেতা কর্মীগণ আলোচনার জন্য মিলিত হয়েছেন। কিন্তু সেই সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি ড. কামালকে। নির্বাচনের আগেই অন্তর্কোন্দলে জড়িয়ে পরেছে নতুন এই দলটি। এখন দেখার বিষয় নির্বাচনের আগেই বিলুপ্তি ঘটে কিনা এই ঐক্যের।