তারেকের মন মজাতে পারলেন না মিন্টু!

 

আমাদের দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আব্দুল আউয়াল মিন্টু। দেশের দুই রাজনৈতিক দলেই  কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। অনেকটা ‘সুবিধা পার্টি জিন্দাবাদ’ এর মত। আব্দুল আউয়াল মিন্টু ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। আওয়ামী লীগে থাকাকালীন  তিনি  খুব একটা সুবিধা করতে পারেন নি অর্থাৎ তার উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি করার সাথে নিজের আখের গুছানো। জনগণের টাকা নিজের করে নেয়ার মতো একটি মনোবাসনা তার ভিতর ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগে থাকাকালীন তিনি তার মনোবাসনা পূরণ করতে পারেন নি বলে  একবুক আশা নিয়ে অবৈধ উপায়ে অর্থ সংগ্রহ করার জন্য ২০০১ সালে তিনি যোগ দেন বিএনপিতে।

২০০১ সাল থেকে বিএনপির সাথে কাজ করে গেছেন এবং সেই সাথে তিনি পূরণ করেছেন তার বহুদিনের মনোবাসনা। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত জনগণের টাকা মেরে তিনি সম্প্রসারণ করেছেন তার ব্যবসা। ২০১৫ সালের মেয়র নির্বাচনের সময় তার ছেলে তাবিথ আউয়াল  বিএনপির নমিনেশন লাভের মাধ্যমে বিএনপিতে যোগ দেন,  এর আগে তিনি কোনদিন বিএনপির কিছু ছিলেন না।

২০০১ এর নির্বাচনের মতো এবারও আব্দুল আউয়াল মিন্টু মনোনয়নের জন্য মনস্থির করেন। কিন্তু শুধু মনস্থির করলে তো আর চলবে না, সেই সাথে থাকতে হবে ভাগ্যের জোর এবং এই ভাগ্যের সাথে খুশি করতে হবে বিএনপির বিশিষ্ট টাকা খোরকে যিনি কিনা অবস্থান করছেন সুদূর বিলেতে। বর্তমানে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সবার আগে খুশি করতে হয় তারেককে। আর এই খুশি করার অন্যতম মাধ্যম হলো মোটা অংকের অর্থ। শুধু অর্থ দিয়েই কাজ শেষ নয়, এই অর্থ তার মন মতো হলো কিনা সেটাও বিবেচ্য বিষয়।

টাকাখোর তারেক বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময়ও বিপুল অর্থের বিনিময়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন দেন। কিন্তু মিন্টু মনোনয়নের জন্য অর্থ দিয়ে তারেককে খুশি করতে না পারায় এবার মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছে। দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না;  এমনকি অতি লোভে তাঁতি নষ্ট করলো মিন্টু। আশা করি তিনি তা বুঝতে পেরেছেন।