প্রচারণা নয় হামলার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা চায় বিএনপি

 

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের সব নেতাকর্মীরা প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করে। কারণ ‘প্রচারেই প্রসার’। প্রচারণার এই কয়েক দিন যে প্রার্থী যত বেশি কষ্ট করবে, ভোটের দিন ঠিক সে রকমই ফল পাবে। এজন্য নেতাকর্মীরা ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দ্বারে দ্বারে যান তাদের নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে। প্রচারণার জন্য তারা ব্যানার, ফেস্টুন, মাইকিং ব্যবহার করে। এতোসব কিছুর কারণ শুধু একটাই। যদি ভোটারদের মনে উন্নয়নের একটু আশা জাগানো যায়। কিন্তু দুর্নীতিবাজ দল বিএনপি বেছে নিয়েছে ভিন্ন ধরণের এক প্রচারণার পথ।

বিএনপির নেতাকর্মীরা বুঝতে পেরেছেন যে প্রচারণা করেও তারা  খুব বেশি সুবিধা করতে পারবেন  না। এমনকি প্রচারণার এই দৌড়ে বেশি দিন টিকতেও পারবে না। কারণ বিভিন্ন আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের প্রার্থীদের যাতাকলে পিষ্ঠ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। এজন্য তারা বেছে নিয়েছেন হামলার পথ। নিজেদের দলের অথবা জোটের নেতা-কর্মীদের অফিসে করছে ভাঙচুর, দিয়ে দিচ্ছে তালা। এতে সমস্যা হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার কাজ চালাতে। ভোট যত সন্নিকটে আসছে  বিএনপির অন্তঃকোন্দল হচ্ছে ততই জোরালো।

নির্বাচনী প্রচারণার শুরুর দিন থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলা চালাচ্ছে এই বিএনপি। এর ভেতর নিজেদের দলের ও জোটের প্রার্থীও রয়েছে। নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায় নোয়াখালী-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুক। তিনি তার গাড়িতে করে তার পার্টি অফিসে যাওয়ার সময় নির্মম হামলা চালায় জামায়াত ও বিএনপির একদল উগ্র নেতাকর্মী। এ সময় গাড়িতে জয়নুল আবেদীন ফারুকের সাথে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন পাটোয়ারীসহ অনেকে। এই গাড়ি হামলায় তারা প্রত্যকেই মারাত্মকভাবে আহত হন। সেই তৃণমূলের নেতাকর্মীরা গাড়ি হামলার পাশাপাশি পার্টি অফিসের হামলাও  অব্যাহত রাখে।

নিজেদের ভিতর অন্তঃকোন্দলের জের ধরেই  বিএনপি দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণাসহ দলের বিভিন্ন পার্টি অফিসে হামলা চালাচ্ছে। দিন দিন এই কোন্দলের জের ধরে হামলা আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে।