পাট নিয়ে আশাবাদের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

 

বিশ্বব্যাপী পাটের বহুবিধ ব্যবহার অনেক বেড়েছে। পাটের কদর এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট, যুক্তরাজ্যসহ সকল সমৃদ্ধ দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিলেতে রাণীর ভবনেও পাটের তৈরি পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে পাটের ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।  আগামী দিনগুলোতে পাটের ব্যবহার আরও বাড়বে।

দেশে পাটের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।  এর মধ্যে রয়েছে- এ খাতে গবেষণা বাড়ানো, নতুন পাটনীতি প্রণয়ন, সংস্কারের আওতায় আসছে জুটমিল কর্পোরেশন এবং পলিথিনের ওপর ইকো ট্যাক্স আরোপ।  এসব উদ্যোগের দুটি উদ্দেশ্য।  একদিকে দেশে পাট পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো এবং অন্যদিকে রফতানি বাড়ানো।  সব মিলে এ খাতের বিশাল বাজার সৃষ্টি করে কর্মসংস্থান বাড়াতে চায় সরকার।

এদিকে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে নতুন করে আশাবাদের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি জানান, পাট নিয়ে যারা হতাশ, সেই হতাশা পার্টির সঙ্গে তিনি নেই। পাট নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী তিনি।যে পণ্যটির কোনো অংশ ফেলনা নয়, সে পণ্যে লোকসান হয় কেমন করে?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাকে কীভাবে লাভজনক করা যায় সে পথ খুঁজে বের করতে হবে। পাট কৃষিপণ্য হিসেবে প্রণোদনা পেতে পারে।  আবার পাটজাত পণ্য রফতানি যোগ্য বলে সেখানেও প্রণোদনা পেতে পারে।

জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে আজ (৬মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) দুই দিনব্যাপী পাট পণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের মানুষ এখন পরিবেশ সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন। এটা আমাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ। এই সুযোগে পরিবেশবান্ধব পাট পণ্য আমরা সারাবিশ্বে রফতানি করতে পারব। পাট চাষী, পাট ব্যবসায়ী ও পাট শিল্পের যারা হতাশ ছিলেন তারা এখন সুদিন ফিরে পেয়েছেন। কারণ সোনালী আঁশের সোনালী দিন এখন ফিরে আসছে।